“নবনী হাসতে হাসতে বলল, তোমার কি কোন সমস্যা আছে ,মা? আছে। কি সমস্যা? শুনতে চাস? হু চাই। আমার ধারণা,তুমি এই পৃথিবীর একমাত্র সমস্যাবিহীন মহিলা। একটা পরিষ্কার রান্নাঘর। রান্নার জিনিসপত্র এবং ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি। এই কটা জিনিস পেলেই তোমার হয়ে গেল। মানুষ যে কখন কার প্রেমে পরে তা সে নিজেও বুঝতে পারে না। শাহেদ ও বুঝতে পারেনি সে কখন শ্রাবণীর কৈশোরের উচ্ছ্বাসকে ভালবেসে ফেলেছে। কিন্তু সে শ্রাবনীর বড় বোন নবনীকে ভালবাসে ,পারিবারিকভাবে বিয়ের কথাবার্তাও পাকা। নবনীর পিতা সম্মানীয় একজন মন্ত্রী, আদর্শ একজন পিতা, স্ত্রীর প্রতি সহানুভূতিশীল একজন স্বামী। তবু তার স্ত্রীর মনে শান্তি নেই। ‘তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রনে ‘ পারিবারিকভাবে ছুটি কাটাতে যাওয়া একটি পরিবারের সাথে ছুটি কাটাতে গিয়ে স্যারের চরিত্র বিশ্লেষনে হারিয়ে যাওয়া । জীবনের “অনাকাঙ্ক্ষিত” নামক ঘটনাগুলোর সুন্দর এক কাঙ্ক্ষিত প্রকাশ হুমায়ুন আহমেদ স্যারের এর এই উপন্যাসটি।
Comments
Post a Comment