লেটস টক অ্যাবাউট সেক্স

একজন ছাত্রনেতার ভিডিও নিয়ে সোস্যালের গোয়ালে তোলপাড় চলছে। এর রাজনৈতিক ব্যবহার করার সুযোগ কেউ ছাড়বে না। তাই রাজনৈতিক বিষবাষ্পে আমি যেতে চাই না। রাজনীতিবিদেরা দূরত্ব বজায় রাখুন।
তবে উনি এমন একটা কাজ কিভাবে করলো? তার উপর একজন রাজনৈতিক নেতার নৈতিকতা এতো নিচুতে নামে কিভাবে? এইরকম হাজারো সাধারনের পোস্ট,কমেন্ট চোখে পরেছে।
এখন কথা হলো আমাদের প্রজন্মের যতজনকে আমি চিনি কিংবা জানি প্রায় প্রত্যেকে কৈশোরে চটি পড়ে যৌনতাকে জেনেছে, একটু বড় হয়ে পর্নোগ্রাফি আসক্ত হয়েছে, আরেকটু সুযোগ পেলে প্রায় সবাই ফোন সেক্স করেছে কিংবা ট্রাই মেরে ব্যর্থ হয়েছে। আর প্রায় শতভাগ বাঙালি মাস্টারবেশনে অভ্যস্ত। বিবাহিত কিংবা অবিবাহিত নির্বিশেষে। কিন্তু যখনই কারও ব্যক্তিগত যৌনজীবন নিয়ে কিছু প্রকাশ পেয়ে যায় চারদিকে হায় হায় রব উঠে। মেয়েদের কোনো যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা হলে তো বাঙালির ইদ আনন্দ।
কারও যৌনজীবন প্রকাশ্যে আসা মানেই সে ক্যারেক্টার লুস এমন নয়। চটি পড়ে কিংবা পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে যৌনতাকে জানাকে আমি সাপোর্ট করছি না। কিন্তু যৌনতা একটি প্রাকৃতিক চাহিদা। অর্গাজমের সুখের জন্য মানুষ অনেককিছুই করে। সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় এবং সঠিক সময়ে সঠিক শিক্ষার অভাবে আমরা অনেক কিছুই করি যেটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এটা বাস্তবতা। কিন্তু এইদিয়ে কারও চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন করতে গেলে প্রায় সবাইকে আসামীর কাঠগড়ায় তুলতে হবে। চরিত্র বিশ্লেষণের নিয়ামক কখনও কারও ব্যক্তিগত যৌনজীবন হতে পারে না, চরিত্র বিশ্লেষণের নিয়ামক অন্যকিছু। এইবোধ এই জাতির নেই।

Comments

Popular posts from this blog

কাতার বিশ্বকাপ ২০২২, সমকামিতা এবং আমার মৃত ভাই

বুক রিভিউ- ১ : তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রনে - হুমায়ূন আহমেদ