সমাজে চলতে গেলে অনেকসময় অনেক কিছু এড়িয়ে যেতে হয়। কিছু কারন সমাজের গোঁড়ামি আর কিছু কারন ব্যক্তিগত। প্রেমিক-প্রেমিকাদের ক্ষেত্রে এই ঘটনা হার হামেশাই ঘটে। ধরুন দু'জন দেখা করার প্রোগ্রাম করলো। কিন্তু হয়তো বহুবছর পর বাল্যবন্ধুদের সাথে ব্যচেলর পার্টি পরে গেলো কিংবা বাসায় হয়তো মেহমান আসলো। তখন এড়িয়ে যাওয়া ছাড়া হয়তো আর উপায় থাকে না। প্রেমিক কিংবা প্রেমিকা কখনও বুঝতে চায় না তার সাথে দেখা করার থেকে প্রিয়জনের এসব কাজ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তখন ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ার প্রয়োজনে হয়তো এমন কোন অজুহাত দাড় করাতে হয় যার গুরুত্ব ভালোবাসার মানুষটার সাথে দেখা করার চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ। এই অভিনয় আমাদের করতে হয়। এরকম হাজারো ঘটনার অবতারণা করা যাবে। যেসব ক্ষেত্রে আমরা এড়িয়ে যেতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। একটুখানি অভিনয় করে যদি অস্বস্তিকর পরিবেশ এড়িয়ে যাওয়া যায় তাহলে সেটাই ভালো। এই এড়িয়ে যাওয়াটাকে আমার ভন্ডামি মনে হয়। খুব সূক্ষ্ম ধরনের ভন্ডামি। যার আদৌ কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমরা এই ভন্ডামিকে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই নেই। হয়তো পারতপক্ষে এর কোন প্রভাব আমাদের জীবনে পরে না। কিন্তু এইসব সূক্ষ্ম বিষয়গুলোর প্রভাব অবশ্যই রয়েছে। আমাদের চরিত্র গঠনে এর বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে। আমাদের জীবনযাত্রায় যখনই কোন অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয় আমরা সেটাকে এড়িয়ে যেতে খুব স্বাচ্ছন্দ্যে বড় ধরনের ভন্ডামির আশ্রয় নেই। কেননা অবচেতন এর সাথে আগেই পরিচিত। অস্বস্তির চেয়ে সে এই অভিনয়টাকেই শ্রেয় মনে করে।
সন্তানের সামান্য অসুস্থতায় পিতামাতার উদ্বেগের সীমা থাকে না। জ্বর,সর্দি,মাথাব্যথা বা অন্য যেকোন ধরনের অসুস্থতা তা যত হালকা হোক না কেন পিতামাতার ঘুম হারাম হয়ে যায়।এইসব কোন উপসর্গ দেখার সাথে সাথে আপনি আপনার সন্তানকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটে যান । কিন্তু আপনার সন্তানের মানসিক কোন সমস্যা আছে কিনা সে ব্যাপারে আপনি কতটা সচেতন? আমাদের দেশে “মানসিক” শব্দটা শুনলেই সবাই দূরাবধ্য কোন রোগকে বুঝি। প্রকৃতপক্ষে মানসিক সমস্যা কমবেশি সব মানুষেরই থাকে।প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এইসকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই জয় করতে পারে। কিন্তু একটি শিশু বা কিশোর যেসকল মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলো তার ভবিষ্যত চলার পথে বাধার সৃষ্টি করে।যেসকল সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ তার জানা থাকে না। অধিকাংশ পিতামাতা বুঝতেই পারে না তার সন্তানের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবার কিছু পিতামাতা বুঝতে পারলেও এটা নিয়ে তেমন চিন্তিত হন না যতটা চিন্তিত হন সন্তানের সামান্য ভাইরাসঘটিত জ্বর-সর্দিতে। শিশুর মানসিক রোগ যেমন বিষন্নতা,উদ্বেগ,আত্মবিশ্বাসের অভাব ইত্যাদি উপসর্গ পিতামাতার চোখে খুব সহজেই ধরা পরে।বেশিরভাগ পিতামাতা তার সন্তানের এসকল বিষয় নিয়ে ...
Comments
Post a Comment