মানুষ তার দুঃখের গল্পগুলো শোনাতে চায়। সবাইকে নয়। নিশ্চয়ই অল্পকিছু মানুষকে। তাদের আকৃষ্ট করতে চায় নিজের দিকে। হয়তো এই গল্প শুনিয়ে সে কিছুটা ভারমুক্ত হতে চায়। হয়তোবা কিছুটা সিমপ্যাথি পেতে চায়। হয়তোবা কিছুটা ভালোবাসা পেতে চায়। আবার এমনও হতে পারে সে তার অতৃপ্ত কামনাকে তৃপ্ত করতে চায়। একটা ছেলে একজন অপরিচিত মেয়ের কাছে তার দুঃখের গল্পগুলো যতটা আগ্রহ নিয়ে শোনায়, একজন ছেলের কাছে কি ততটা আগ্রহ নিয়ে শোনায়
কিংবা একজন মেয়ে তার প্রাক্তন প্রেমিকের কথা একজন ছেলের কাছে যতটা আবেগ নিয়ে বলে ততটা কি একজন মেয়ের কাছে বলতে পারে
পারে না। আমরা দুঃখের গল্প বলার সঙ্গী খুঁজে ফিরি। সেই সঙ্গীর সাথে শুধু গল্প করতে চাই এমনটা নয়। সেই সঙ্গীর সাথে আমরা সঙ্গমেও লিপ্ত হতে চাই। এরমধ্যে কোন অস্বাভাবিকতা নেই। এটাই স্বাভাবিক। এখন এই বন্ধুত্বকে আমরা প্রেম বলবো নাকি অন্যনামে সজ্ঞায়িত করবো সেটা আমার জানা নেই। তবে দুজনের কমিটমেন্ট যদি স্পষ্ট থাকে তবে আমি এরমাঝে কোন অপরাধ দেখি না।
সন্তানের সামান্য অসুস্থতায় পিতামাতার উদ্বেগের সীমা থাকে না। জ্বর,সর্দি,মাথাব্যথা বা অন্য যেকোন ধরনের অসুস্থতা তা যত হালকা হোক না কেন পিতামাতার ঘুম হারাম হয়ে যায়।এইসব কোন উপসর্গ দেখার সাথে সাথে আপনি আপনার সন্তানকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটে যান । কিন্তু আপনার সন্তানের মানসিক কোন সমস্যা আছে কিনা সে ব্যাপারে আপনি কতটা সচেতন? আমাদের দেশে “মানসিক” শব্দটা শুনলেই সবাই দূরাবধ্য কোন রোগকে বুঝি। প্রকৃতপক্ষে মানসিক সমস্যা কমবেশি সব মানুষেরই থাকে।প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এইসকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই জয় করতে পারে। কিন্তু একটি শিশু বা কিশোর যেসকল মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলো তার ভবিষ্যত চলার পথে বাধার সৃষ্টি করে।যেসকল সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ তার জানা থাকে না। অধিকাংশ পিতামাতা বুঝতেই পারে না তার সন্তানের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবার কিছু পিতামাতা বুঝতে পারলেও এটা নিয়ে তেমন চিন্তিত হন না যতটা চিন্তিত হন সন্তানের সামান্য ভাইরাসঘটিত জ্বর-সর্দিতে। শিশুর মানসিক রোগ যেমন বিষন্নতা,উদ্বেগ,আত্মবিশ্বাসের অভাব ইত্যাদি উপসর্গ পিতামাতার চোখে খুব সহজেই ধরা পরে।বেশিরভাগ পিতামাতা তার সন্তানের এসকল বিষয় নিয়ে ...
Comments
Post a Comment