ফাল্গুন,ভ্যালেন্টাইন,বৈশাখ উদযাপন
প্রেমিক হিসেবে কখনও ফাল্গুন,ভ্যালেন্টাইন,বৈশাখ উদযাপন করা হয়ে উঠেনি। যদিও টানা চার বছর প্রেম করেছি। তবুও হয়ে উঠেনি। এর কারন দুটো। প্রথমত অর্থনৈতিক আর দ্বিতীয়ত প্রেমিকার অনীহা। আসলে যেটা করেছি সেটা একধরনের একতরফা প্রেমই হয়তো বলা চলে। যদিও কখনও এমন হয়নি ওর ভালোবাসায় ঘাটতি ছিলো মনে হয়েছে । কিন্তু বাঙালি মেয়েরা যেমনটা হয়। মফস্বল শহরে সামান্য দেখা করতে গেলেও আতংকিত হয়ে পরতো। তাই এইসব দিবসে একান্ত ঘনিষ্ঠ সময় কাটানোর সুযোগ কখনোই হয়ে উঠেনি। তবে আমার ব্যর্থতাও ছিলো। ওই সময়টায় অর্থনৈতিকভাবে প্রচন্ড লড়াই করতে হয়েছে। তাই দেখা-সাক্ষাৎ খুব কমই হতো। যদিও একই শহরে নিবাস ছিলো দুজনের। এইসব দিবস আসলে দুজনেই দেখা করাটা এড়িয়ে চলতাম। আমার ছিলো অর্থনৈতিক সমস্যা আর ওর ব্যপারটা আজ নয় বছর পরেও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি। প্রেমটা ভেঙে যাওয়ার পরে দ্বিতীয় প্রেম করার ইচ্ছে থাকলেও উপায় হয়নি। কেননা নতুন করে সম্পর্কে জড়ানোর জন্য যে মানসিক স্টাবিলিটি দরকার ছিলো সেটা আর ছিলো না।পারিবারিক সমস্যা, অর্থনৈতিক তথৈবচ অবস্থা আর ক্যারিয়ার নিয়ে এতটাই হতাশ ছিলাম আর হয়েই উঠেনি। তাই এইসব বিশেষ দিনগুলোর প্রতি একধরনের অনীহা তৈরি হয়ে গেছে। তবে এখন মনে হয় এইসব দিনগুলো মানুষের জীবনে থাকা উচিত। যারা প্রেম করে তাদের উচিত এইসকল দিনগুলি প্রচন্ডভাবে উদযাপন করা। এমনকি পারিবারিকভাবেও এইসব দিনগুলো উদযাপন করা উচিত। কেননা নিত্য অসুখের এই সংসারে কিছু বিশেষ দিন থাকাটা অবশ্যই দরকার।
Comments
Post a Comment