প্রেয়সীর স্বেচ্ছায় ধর্ষিত হবার কাব্যের তুলনায় মর্মান্তিক কাব্য আর কিইবা হতে পারে । কতশত প্রেয়সী প্রতিদিন স্বেচ্ছায় ধর্ষিত হচ্ছে প্রেমিকের অগোচরে। এই সমাজ বাস্তবতার বিচারে। মুক্তি খুঁজে ফেরে ওরা। প্রেমিকের প্রেয়সী হয়ে হারিয়ে যাবার স্বপ্নের ডানাও, নিজেই কেটে ফেলে একদিন।এক একটা জীবন্ত লাশ ফুটন্ত গোলাপের ন্যায় সৌরভ দেয়। সবাই তাকে ছুঁতে চায়। কিন্তু শুষ্ক গোলাপ সদা নিজের উজ্জ্বলতা খুঁজে বেড়ায়। ওদের ছুঁতে চাওয়া দেখে ঘৃনায় মুখ লুকায়। এভাবেই ওরা বেঁচে রয়। সমাজ, তুমি মরে যাও। মৃত হয়ে যাওয়া গোলাপ পাপড়িগুলোকে বাঁচতে দাও।
সন্তানের সামান্য অসুস্থতায় পিতামাতার উদ্বেগের সীমা থাকে না। জ্বর,সর্দি,মাথাব্যথা বা অন্য যেকোন ধরনের অসুস্থতা তা যত হালকা হোক না কেন পিতামাতার ঘুম হারাম হয়ে যায়।এইসব কোন উপসর্গ দেখার সাথে সাথে আপনি আপনার সন্তানকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটে যান । কিন্তু আপনার সন্তানের মানসিক কোন সমস্যা আছে কিনা সে ব্যাপারে আপনি কতটা সচেতন? আমাদের দেশে “মানসিক” শব্দটা শুনলেই সবাই দূরাবধ্য কোন রোগকে বুঝি। প্রকৃতপক্ষে মানসিক সমস্যা কমবেশি সব মানুষেরই থাকে।প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এইসকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই জয় করতে পারে। কিন্তু একটি শিশু বা কিশোর যেসকল মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলো তার ভবিষ্যত চলার পথে বাধার সৃষ্টি করে।যেসকল সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ তার জানা থাকে না। অধিকাংশ পিতামাতা বুঝতেই পারে না তার সন্তানের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবার কিছু পিতামাতা বুঝতে পারলেও এটা নিয়ে তেমন চিন্তিত হন না যতটা চিন্তিত হন সন্তানের সামান্য ভাইরাসঘটিত জ্বর-সর্দিতে। শিশুর মানসিক রোগ যেমন বিষন্নতা,উদ্বেগ,আত্মবিশ্বাসের অভাব ইত্যাদি উপসর্গ পিতামাতার চোখে খুব সহজেই ধরা পরে।বেশিরভাগ পিতামাতা তার সন্তানের এসকল বিষয় নিয়ে ...
Comments
Post a Comment