একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী যখন কারও বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলে আমরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করি,অভিযোগের তীর তার দিকেই ছুঁড়ে দেই। কেননা তিনি আমাদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত করেছিলেন। এরকম অন্তত হাজারটা উদাহরন আমি দিতে পারবো যেখানে অভিযোগকারী মেয়েটাকেই দায়ী করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য সংসদে দাড়িয়ে আর্জি জানানো হয়। কেননা তিনি বড় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য। টকশোতে ধর্ষনের জন্য সরাসরি দায়ী করা হয় নারীর পোশাককে। কারন আমাদের ধর্মানুভুতি। তাহলে আমরা যে প্রতিমুহূর্তে অন্যদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত করে চলেছি তার কি হবে। আমরা গরুর মাংস খাচ্ছি যা হিন্দুদের আঘাত করছে,আমরা ওয়াইনকে হারাম বলছি যা খ্রিস্টানকে আঘাত করছে,আমরা মূর্তি পূজাকে পাপ বলছি যা বৌদ্ধদের আহত করছে।
করোনা নিয়ে শিশুদের সাথে আলোচনা
করোনা নামক মহামারীতে আজ পুরো পৃথিবী স্তব্ধ। বন্দীজীবনে আমরা সবাই কিছু না কিছু মানসিক জটিলতায় ভুগছি। তবে সবথেকে বেশি সমস্যায় রয়েছে শিশুরা। তারা উচ্ছ্বল, খোলামেলা জীবনকে ছুটি দিয়ে ঘরবন্দী জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে । এই সময়টাতে বৈশ্বিক এই মহামারী নিয়ে আপনার সন্তানের সাথে খোলা মনে আলোচনা করুন। প্রথমত, আপনার সন্তানের সাথে মহামারী নিয়ে আলোচনা শুরু করুন। জানার চেষ্টা করুন সে কতটা জানতে পেরেছে। এই বিষয়ে তারা কি কি সতর্কতা অবলম্বন করছে সেটাও জানার চেষ্টা করুন। আপনাকে এটা নিশ্চিত করতে হবে যেন তারা সহজে এ বিষয়ে আপনাকে প্রশ্ন করতে পারে। সর্বপরি এই মহামারির সময় আপনার সন্তানের সাথে বন্ধুর মত সম্পর্ক গড়ে তুলুন। একসাথে ছবি আকা,গল্পের বই পড়া অথবা খেলার মাধ্যমে তার সাথে খোলামনে কথা বলা শুরু করতে পারেন। খুব ছোট হলে এ বিষয়ে আলোচনা না করাটাই উত্তম। তাদেরকে পরিষ্কার -পরিচ্ছন্নতার সাধারন বিধি-নিষেধগুলো মেনে চলতে উৎসাহিত করুন। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল তাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেয়া। বিশ্বের সকলের ন্যায় শিশুদেরও অধিকার রয়েছে মহামারী সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাবার। আপনি কোন প্রশ্নের উত্তর না জানলে এড়িয়ে য...
Comments
Post a Comment