একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী যখন কারও বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলে আমরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করি,অভিযোগের তীর তার দিকেই ছুঁড়ে দেই। কেননা তিনি আমাদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত করেছিলেন। এরকম অন্তত হাজারটা উদাহরন আমি দিতে পারবো যেখানে অভিযোগকারী মেয়েটাকেই দায়ী করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য সংসদে দাড়িয়ে আর্জি জানানো হয়। কেননা তিনি বড় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য। টকশোতে ধর্ষনের জন্য সরাসরি দায়ী করা হয় নারীর পোশাককে। কারন আমাদের ধর্মানুভুতি। তাহলে আমরা যে প্রতিমুহূর্তে অন্যদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত করে চলেছি তার কি হবে। আমরা গরুর মাংস খাচ্ছি যা হিন্দুদের আঘাত করছে,আমরা ওয়াইনকে হারাম বলছি যা খ্রিস্টানকে আঘাত করছে,আমরা মূর্তি পূজাকে পাপ বলছি যা বৌদ্ধদের আহত করছে।
কাতার বিশ্বকাপ ২০২২, সমকামিতা এবং আমার মৃত ভাই
কাতার বিশ্বকাপের আনন্দে সবাই বুদ হয়ে আছে। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই খেলার মাঠে মদ খাওয়াসহ কাতারের অনেক বিধিনিষেধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেসব নিয়ম ফিফা মেনে নেয়ায় এদেশের অনেকে আনন্দিত হয়েছে। খেলার মধ্যে ধর্ম টেনে আনাটা আমার জন্য অস্বস্তিকর একটি কাজ। মানসিক শান্তি নষ্ট হয়। কিন্তু আহমদ ছফার বাঙালি মুসলমানদের কোনোকিছুই ধর্ম ছাড়া চলে না। আমার জানামতে খেলাকে ঘিরে যত ঘটনা ঘটে যেমন-সরাসরি সম্প্রচার,বিজ্ঞাপন, খেলোয়াড়দের পোশাক বেশিরভাগই ধর্ম সমর্থন করে না। সেটা অনেক বড় বিতর্ক। বিশ্বকাপে কয়েকটা দলের অধিনায়ক সমকামীদের সমর্থনে আয়োজকদের নিষেধ সত্ত্বেও ওয়ান লাভ আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামতে চেয়েছিল । কিন্তু সেই সিন্ধান্ত থেকে তারা সরে এসেছে। কারণ কেউ আর্মব্যান্ড পরে নামলে তাকে হলুদ কার্ড দেখানোর ঘোষণা দিয়েছে ফিফা। আমাদের সমাজে ঘটা অনেকগুলো বিতর্কিত বিষয়ের মধ্যে সমকামিতা একটি। আর এর কারনেই দেড় বছর আগে আমার ভাই খুন হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রশাসনের থেকে একটা রিপোর্ট আদালতে যায় নি। তাই আমি অপেক্ষা করছি। আর সমকামিতা বিষয়টা জানার চেষ্টা করছি। মোটামুটি বুঝতে পারার পরথেকেই আমি সমকামীতাকে ঘৃনার চোখে দেখতাম। আমাকে বোঝ...
Comments
Post a Comment