একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী যখন কারও বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলে আমরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করি,অভিযোগের তীর তার দিকেই ছুঁড়ে দেই। কেননা তিনি আমাদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত করেছিলেন। এরকম অন্তত হাজারটা উদাহরন আমি দিতে পারবো যেখানে অভিযোগকারী মেয়েটাকেই দায়ী করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য সংসদে দাড়িয়ে আর্জি জানানো হয়। কেননা তিনি বড় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য। টকশোতে ধর্ষনের জন্য সরাসরি দায়ী করা হয় নারীর পোশাককে। কারন আমাদের ধর্মানুভুতি। তাহলে আমরা যে প্রতিমুহূর্তে অন্যদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত করে চলেছি তার কি হবে। আমরা গরুর মাংস খাচ্ছি যা হিন্দুদের আঘাত করছে,আমরা ওয়াইনকে হারাম বলছি যা খ্রিস্টানকে আঘাত করছে,আমরা মূর্তি পূজাকে পাপ বলছি যা বৌদ্ধদের আহত করছে।
সন্তানের সামান্য অসুস্থতায় পিতামাতার উদ্বেগের সীমা থাকে না। জ্বর,সর্দি,মাথাব্যথা বা অন্য যেকোন ধরনের অসুস্থতা তা যত হালকা হোক না কেন পিতামাতার ঘুম হারাম হয়ে যায়।এইসব কোন উপসর্গ দেখার সাথে সাথে আপনি আপনার সন্তানকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটে যান । কিন্তু আপনার সন্তানের মানসিক কোন সমস্যা আছে কিনা সে ব্যাপারে আপনি কতটা সচেতন? আমাদের দেশে “মানসিক” শব্দটা শুনলেই সবাই দূরাবধ্য কোন রোগকে বুঝি। প্রকৃতপক্ষে মানসিক সমস্যা কমবেশি সব মানুষেরই থাকে।প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এইসকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই জয় করতে পারে। কিন্তু একটি শিশু বা কিশোর যেসকল মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলো তার ভবিষ্যত চলার পথে বাধার সৃষ্টি করে।যেসকল সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ তার জানা থাকে না। অধিকাংশ পিতামাতা বুঝতেই পারে না তার সন্তানের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবার কিছু পিতামাতা বুঝতে পারলেও এটা নিয়ে তেমন চিন্তিত হন না যতটা চিন্তিত হন সন্তানের সামান্য ভাইরাসঘটিত জ্বর-সর্দিতে। শিশুর মানসিক রোগ যেমন বিষন্নতা,উদ্বেগ,আত্মবিশ্বাসের অভাব ইত্যাদি উপসর্গ পিতামাতার চোখে খুব সহজেই ধরা পরে।বেশিরভাগ পিতামাতা তার সন্তানের এসকল বিষয় নিয়ে ...
Comments
Post a Comment