আমাদের সমাজে পরিবারের থেকে প্রিয়জন আর কেউ নেই। পরিবারশূন্য মানুষগুলো সবসময় একটা প্রিয়জন খুঁজে বেড়ায়। সেই প্রিয়জনের সামান্য অনুপস্থিতি তীব্র বেদনার সৃষ্টি করে। সেটা সহ্য করা যায়। কিন্তু প্রিয়জনের দীর্ঘ সময়ের অনুপস্থিতি আমাদের স্থবির করে দেয়। আমাদের সমাজে প্রয়োজনের প্রিয়জনের অভাব নাই। কিন্তু অবচেতন যেই প্রিয়জনকে খুঁজে বেড়ায় তার খোঁজ পাওয়াটা বড্ড দায়। তাইতো অবচেতন সদা খুঁজে বেড়ায়। কারও মাঝে যখন তার দেখা পায়; নিজেকে সম্পূর্ণ সঁপে দেয়। তবু কোথায় একটা অপূর্ণতা রয়ে যায়। এই অপূর্নতার শেষ কোথায়, সেটা জানাটা আরও কঠিন মনে হয়।
সন্তানের সামান্য অসুস্থতায় পিতামাতার উদ্বেগের সীমা থাকে না। জ্বর,সর্দি,মাথাব্যথা বা অন্য যেকোন ধরনের অসুস্থতা তা যত হালকা হোক না কেন পিতামাতার ঘুম হারাম হয়ে যায়।এইসব কোন উপসর্গ দেখার সাথে সাথে আপনি আপনার সন্তানকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটে যান । কিন্তু আপনার সন্তানের মানসিক কোন সমস্যা আছে কিনা সে ব্যাপারে আপনি কতটা সচেতন? আমাদের দেশে “মানসিক” শব্দটা শুনলেই সবাই দূরাবধ্য কোন রোগকে বুঝি। প্রকৃতপক্ষে মানসিক সমস্যা কমবেশি সব মানুষেরই থাকে।প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এইসকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই জয় করতে পারে। কিন্তু একটি শিশু বা কিশোর যেসকল মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলো তার ভবিষ্যত চলার পথে বাধার সৃষ্টি করে।যেসকল সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ তার জানা থাকে না। অধিকাংশ পিতামাতা বুঝতেই পারে না তার সন্তানের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবার কিছু পিতামাতা বুঝতে পারলেও এটা নিয়ে তেমন চিন্তিত হন না যতটা চিন্তিত হন সন্তানের সামান্য ভাইরাসঘটিত জ্বর-সর্দিতে। শিশুর মানসিক রোগ যেমন বিষন্নতা,উদ্বেগ,আত্মবিশ্বাসের অভাব ইত্যাদি উপসর্গ পিতামাতার চোখে খুব সহজেই ধরা পরে।বেশিরভাগ পিতামাতা তার সন্তানের এসকল বিষয় নিয়ে ...
Comments
Post a Comment