বন্যাদূর্গত মানুষদের নিয়ে সোস্যালের গোয়ালে কত-শত পোস্ট। সাহায্যের জন্য কতশত বিকাশ আ্যকাউন্ট। এসব দেখে ব্যস্ত জীবনের খোলসটা ফেলে নিজেরও মাঝে মাঝে ছুটে যেতে মন চায়। তবু এক অব্যক্ত অভিন্নতায় বন্যাদূর্গত মানুষগুলোর মতো বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাই।আকস্মিক বিপদে ওদের সাহায্য করার মানুষের কোনো অভাব নেই। সরকার,বিরোধীদল,আস্তিক, নাস্তিক,মিডিয়া,সোস্যাল মিডিয়া সবাই আছে। কিন্তু এই আকস্মিক বিপর্যয় কেটে যাওয়ার পর আর কাউকে পাওয়া যাবে কি? নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে তোলা স্বপ্ন বানের জলে ভেসে গেছে। দু'মুঠো খাওয়ার লড়াইয়ের মাঝে ওরা অনেকেই একদিন ভুলে যাবে ওদেরও স্বপ্ন ছিলো। এরকম লক্ষ লক্ষ স্বপ্ন প্রতিদিনই শ্মশানে যায়। আমরা শুধু বেঁচে থাকার লড়াইয়ের জন্যই জন্মাই, মার খাই, মরে যাই।
সন্তানের সামান্য অসুস্থতায় পিতামাতার উদ্বেগের সীমা থাকে না। জ্বর,সর্দি,মাথাব্যথা বা অন্য যেকোন ধরনের অসুস্থতা তা যত হালকা হোক না কেন পিতামাতার ঘুম হারাম হয়ে যায়।এইসব কোন উপসর্গ দেখার সাথে সাথে আপনি আপনার সন্তানকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটে যান । কিন্তু আপনার সন্তানের মানসিক কোন সমস্যা আছে কিনা সে ব্যাপারে আপনি কতটা সচেতন? আমাদের দেশে “মানসিক” শব্দটা শুনলেই সবাই দূরাবধ্য কোন রোগকে বুঝি। প্রকৃতপক্ষে মানসিক সমস্যা কমবেশি সব মানুষেরই থাকে।প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এইসকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই জয় করতে পারে। কিন্তু একটি শিশু বা কিশোর যেসকল মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলো তার ভবিষ্যত চলার পথে বাধার সৃষ্টি করে।যেসকল সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ তার জানা থাকে না। অধিকাংশ পিতামাতা বুঝতেই পারে না তার সন্তানের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবার কিছু পিতামাতা বুঝতে পারলেও এটা নিয়ে তেমন চিন্তিত হন না যতটা চিন্তিত হন সন্তানের সামান্য ভাইরাসঘটিত জ্বর-সর্দিতে। শিশুর মানসিক রোগ যেমন বিষন্নতা,উদ্বেগ,আত্মবিশ্বাসের অভাব ইত্যাদি উপসর্গ পিতামাতার চোখে খুব সহজেই ধরা পরে।বেশিরভাগ পিতামাতা তার সন্তানের এসকল বিষয় নিয়ে ...
Comments
Post a Comment