বন্যাদূর্গত মানুষদের নিয়ে সোস্যালের গোয়ালে কত-শত পোস্ট। সাহায্যের জন্য কতশত বিকাশ আ্যকাউন্ট। এসব দেখে ব্যস্ত জীবনের খোলসটা ফেলে নিজেরও মাঝে মাঝে ছুটে যেতে মন চায়। তবু এক অব্যক্ত অভিন্নতায় বন্যাদূর্গত মানুষগুলোর মতো বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাই।আকস্মিক বিপদে ওদের সাহায্য করার মানুষের কোনো অভাব নেই। সরকার,বিরোধীদল,আস্তিক, নাস্তিক,মিডিয়া,সোস্যাল মিডিয়া সবাই আছে। কিন্তু এই আকস্মিক বিপর্যয় কেটে যাওয়ার পর আর কাউকে পাওয়া যাবে কি? নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে তোলা স্বপ্ন বানের জলে ভেসে গেছে। দু'মুঠো খাওয়ার লড়াইয়ের মাঝে ওরা অনেকেই একদিন ভুলে যাবে ওদেরও স্বপ্ন ছিলো। এরকম লক্ষ লক্ষ স্বপ্ন প্রতিদিনই শ্মশানে যায়। আমরা শুধু বেঁচে থাকার লড়াইয়ের জন্যই জন্মাই, মার খাই, মরে যাই।
কাতার বিশ্বকাপ ২০২২, সমকামিতা এবং আমার মৃত ভাই
কাতার বিশ্বকাপের আনন্দে সবাই বুদ হয়ে আছে। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই খেলার মাঠে মদ খাওয়াসহ কাতারের অনেক বিধিনিষেধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেসব নিয়ম ফিফা মেনে নেয়ায় এদেশের অনেকে আনন্দিত হয়েছে। খেলার মধ্যে ধর্ম টেনে আনাটা আমার জন্য অস্বস্তিকর একটি কাজ। মানসিক শান্তি নষ্ট হয়। কিন্তু আহমদ ছফার বাঙালি মুসলমানদের কোনোকিছুই ধর্ম ছাড়া চলে না। আমার জানামতে খেলাকে ঘিরে যত ঘটনা ঘটে যেমন-সরাসরি সম্প্রচার,বিজ্ঞাপন, খেলোয়াড়দের পোশাক বেশিরভাগই ধর্ম সমর্থন করে না। সেটা অনেক বড় বিতর্ক। বিশ্বকাপে কয়েকটা দলের অধিনায়ক সমকামীদের সমর্থনে আয়োজকদের নিষেধ সত্ত্বেও ওয়ান লাভ আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামতে চেয়েছিল । কিন্তু সেই সিন্ধান্ত থেকে তারা সরে এসেছে। কারণ কেউ আর্মব্যান্ড পরে নামলে তাকে হলুদ কার্ড দেখানোর ঘোষণা দিয়েছে ফিফা। আমাদের সমাজে ঘটা অনেকগুলো বিতর্কিত বিষয়ের মধ্যে সমকামিতা একটি। আর এর কারনেই দেড় বছর আগে আমার ভাই খুন হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রশাসনের থেকে একটা রিপোর্ট আদালতে যায় নি। তাই আমি অপেক্ষা করছি। আর সমকামিতা বিষয়টা জানার চেষ্টা করছি। মোটামুটি বুঝতে পারার পরথেকেই আমি সমকামীতাকে ঘৃনার চোখে দেখতাম। আমাকে বোঝ...
Comments
Post a Comment