ইন্ডিয়ায় পোশাকের স্বাধীনতা নিয়ে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ সোচ্চার হয়েছে দেখে ভালোই লাগলো। প্রতিটি মানুষের তার নিজের পছন্দ বেছে নেবার সুযোগ থাকা উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের কোন মেয়ে যদি টপস পরে কোন হুজুরদের আল্লাহু আকবর ধ্বনির মধ্যে দাড়িয়ে বলে জয় শ্রীরাম সেটা কয়জন বাঙালি মুসলমান মেনে নিতে পারবে। একমাত্র যারা সেক্যুলার তারাই মানুষের ব্যক্তিস্বাধীনতা মেনে নিতে পারে। আপনি যতই গালি দেন না কেন এরাই একমাত্র সহনশীল মানুষ। এটা ঠিক অনেক বছর লালন করা বিশ্বাস থেকে বের হয়ে আসার পর ভুল-ভ্রান্তির হিসেব করাটা একটু কঠিন হয়ে দাড়ায়। তবে নৈতিকতার প্রশ্নে আমরা অনেক বেশি সিরিয়াস। হয়তো অনেক ক্ষেত্রে অনেকে সঠিক জ্ঞানের অভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। তবে ভুল বুঝতে পারলে আবার সেটা স্বীকার করতে দেরি করে না।
সন্তানের সামান্য অসুস্থতায় পিতামাতার উদ্বেগের সীমা থাকে না। জ্বর,সর্দি,মাথাব্যথা বা অন্য যেকোন ধরনের অসুস্থতা তা যত হালকা হোক না কেন পিতামাতার ঘুম হারাম হয়ে যায়।এইসব কোন উপসর্গ দেখার সাথে সাথে আপনি আপনার সন্তানকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটে যান । কিন্তু আপনার সন্তানের মানসিক কোন সমস্যা আছে কিনা সে ব্যাপারে আপনি কতটা সচেতন? আমাদের দেশে “মানসিক” শব্দটা শুনলেই সবাই দূরাবধ্য কোন রোগকে বুঝি। প্রকৃতপক্ষে মানসিক সমস্যা কমবেশি সব মানুষেরই থাকে।প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এইসকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই জয় করতে পারে। কিন্তু একটি শিশু বা কিশোর যেসকল মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলো তার ভবিষ্যত চলার পথে বাধার সৃষ্টি করে।যেসকল সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ তার জানা থাকে না। অধিকাংশ পিতামাতা বুঝতেই পারে না তার সন্তানের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবার কিছু পিতামাতা বুঝতে পারলেও এটা নিয়ে তেমন চিন্তিত হন না যতটা চিন্তিত হন সন্তানের সামান্য ভাইরাসঘটিত জ্বর-সর্দিতে। শিশুর মানসিক রোগ যেমন বিষন্নতা,উদ্বেগ,আত্মবিশ্বাসের অভাব ইত্যাদি উপসর্গ পিতামাতার চোখে খুব সহজেই ধরা পরে।বেশিরভাগ পিতামাতা তার সন্তানের এসকল বিষয় নিয়ে ...
Comments
Post a Comment