করোনা নামক মহামারীতে আজ পুরো পৃথিবী স্তব্ধ। বন্দীজীবনে আমরা সবাই কিছু না কিছু মানসিক জটিলতায় ভুগছি। তবে সবথেকে বেশি সমস্যায় রয়েছে শিশুরা। তারা উচ্ছ্বল, খোলামেলা জীবনকে ছুটি দিয়ে ঘরবন্দী জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে । এই সময়টাতে বৈশ্বিক এই মহামারী নিয়ে আপনার সন্তানের সাথে খোলা মনে আলোচনা করুন। প্রথমত, আপনার সন্তানের সাথে মহামারী নিয়ে আলোচনা শুরু করুন। জানার চেষ্টা করুন সে কতটা জানতে পেরেছে। এই বিষয়ে তারা কি কি সতর্কতা অবলম্বন করছে সেটাও জানার চেষ্টা করুন। আপনাকে এটা নিশ্চিত করতে হবে যেন তারা সহজে এ বিষয়ে আপনাকে প্রশ্ন করতে পারে। সর্বপরি এই মহামারির সময় আপনার সন্তানের সাথে বন্ধুর মত সম্পর্ক গড়ে তুলুন। একসাথে ছবি আকা,গল্পের বই পড়া অথবা খেলার মাধ্যমে তার সাথে খোলামনে কথা বলা শুরু করতে পারেন। খুব ছোট হলে এ বিষয়ে আলোচনা না করাটাই উত্তম। তাদেরকে পরিষ্কার -পরিচ্ছন্নতার সাধারন বিধি-নিষেধগুলো মেনে চলতে উৎসাহিত করুন। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল তাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেয়া। বিশ্বের সকলের ন্যায় শিশুদেরও অধিকার রয়েছে মহামারী সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাবার। আপনি কোন প্রশ্নের উত্তর না জানলে এড়িয়ে য...
বাতাসে বারুদের গন্ধ। পৃথিবী গন্ধমুক্ত হোক। এইতো সেদিন পৃথিবীর একপ্রান্তে বারুদের গন্ধে মুছে গিয়েছিল কয়েকশো তাজা প্রাণ। অধিকার আদায়ের দাবিতে নিভে গিয়েছিল কয়েকশো মায়ের কলিজার ধন। আজকে এইপ্রান্তে দেখি পিতৃহারা এক নির্বাক শিশুর চোখের জলের বান। এমনসব মৃত্যু আর দেখতে মন চায় না। পৃথিবী ছেড়ে মহাবিশ্বের অন্য কোথাও গিয়ে একাকী আশ্রয় নিতে পারলে ভালো হতো। চুপচাপ "মাতাল হাওয়া" পড়তাম। নাদিয়ার মৃত্যুতে চোখের জল ফেলতাম। আবার কাল্পনিক কোন রূপার প্রেমের মধুর সমাপ্তি দেখে হেসে উঠতাম। কিন্তু সেটা সম্ভব নয়। মানুষ নামক নিষ্ঠুরতার সাথেই আমার বসবাস। তাইতো এসব মৃত্যু দেখা ছাড়া আর কোনো অবকাশ নেই।
বাসায় অথিতির আগমন। কিন্তু ছোট্ট সেই শিশুটির মন ভাল নেই। কারন কালকের হোমওয়ার্ক শেষ করতে হবে।তাই বিষণ্ণ মনে সে তার ভাল না লাগা কাজটি করে যায়। সেই থেকে শুরু। তারপর থেকে জীবনের প্রত্তেকটা পদে তাকে বিষণ্ণতা নামক রোগটির সাথে লড়াই করে যেতে হয়। প্রত্যেকটা রোগের চিকিৎসা আছে,কিন্তু বিষণ্ণতা নামক ব্যধির কোন চিকিৎসা নেই । কারন আমরা বুঝতে ই পারি না আমাদের মনে এত বড় একটা রোগ কখন বাসা বেধেছে। রোগ হয়েছে তাই যদি বুঝতে না পারি তো ওষুধ খাব কি! যদিও বা কেউ বুঝতে পারে সেটাকে মনের দুর্বলতা বলে ভেবে নেয়। এ এমন এক দুর্বলতা যাকে প্রশ্রয় দেয়া যায় না,তাহলে সর্বনাশ! বাস্তব জীবনে এসকল দুর্বলতাকে প্রশ্রয় দিতে নেই । বিরক্তিতে, রাগে,ক্ষোভে,দুঃখে, অমনোযোগিতায় প্রতিটা আচরণে সে কিন্তু তার উপস্থিতি জানান দিয়ে যায়। শরীর সুস্থ রাখতে আমরা কত কিছুই না করি,কিন্তু যে ঘাতক ব্যধি আমাদের ধীরে ধীরে দুর্বল থেকে দুর্বলতর করে ফেলছে তার খোঁজ রাখার সময় কোথায়। যান্ত্রিক এ যুগে সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে এসব ছোটোখাটো বিষয় নিয়ে না ভাবাই উত্তম। কিন্তু সময়ে-অসময়ে “ভাল্লাগে না” নামক জিনিসটা যখন কর্...
Comments
Post a Comment