আমার মা নেই। নেই মানে নেই। তার আর কোন অস্তিত্ব নেই। অস্তিত্ব আছে শুধু আমার কল্পনায়। অনন্ত জীবনের কথা আমাদের ক্রিয়েচারে লেখা আছে। সেই অনন্ত জীবন কেমন হবে সেটা মানুষ জানে। কি হাস্যকর কথাবার্তা। মহাবিশ্বের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র একটি ছায়াপথের মাঝারি মানের একটা নক্ষত্রের একটি গ্রহ পৃথিবী। তার একটি ক্ষুদ্র প্রজাতি মানুষ। তারা আরও শত শত বছর আগে জেনে গেছে অনন্ত জীবনের সন্ধান। কি অদ্ভুত। কি রোমাঞ্চকর। কতটা ব্রিলিয়ান্ট ছিলেন সেই মহামানবেরা। তাদের জীবনব্যবস্থা আমাদের জন্য অনুকরণীয়। যতদিন এই মানব প্রজাতি টিকে থাকবে আমাদের তাদেরকে অনুকরন করে যেতে হবে। না করলে অনন্তকাল নরকে পুড়তে হবে। কি ভয়ানক।
সন্তানের সামান্য অসুস্থতায় পিতামাতার উদ্বেগের সীমা থাকে না। জ্বর,সর্দি,মাথাব্যথা বা অন্য যেকোন ধরনের অসুস্থতা তা যত হালকা হোক না কেন পিতামাতার ঘুম হারাম হয়ে যায়।এইসব কোন উপসর্গ দেখার সাথে সাথে আপনি আপনার সন্তানকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটে যান । কিন্তু আপনার সন্তানের মানসিক কোন সমস্যা আছে কিনা সে ব্যাপারে আপনি কতটা সচেতন? আমাদের দেশে “মানসিক” শব্দটা শুনলেই সবাই দূরাবধ্য কোন রোগকে বুঝি। প্রকৃতপক্ষে মানসিক সমস্যা কমবেশি সব মানুষেরই থাকে।প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এইসকল প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই জয় করতে পারে। কিন্তু একটি শিশু বা কিশোর যেসকল মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলো তার ভবিষ্যত চলার পথে বাধার সৃষ্টি করে।যেসকল সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ তার জানা থাকে না। অধিকাংশ পিতামাতা বুঝতেই পারে না তার সন্তানের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবার কিছু পিতামাতা বুঝতে পারলেও এটা নিয়ে তেমন চিন্তিত হন না যতটা চিন্তিত হন সন্তানের সামান্য ভাইরাসঘটিত জ্বর-সর্দিতে। শিশুর মানসিক রোগ যেমন বিষন্নতা,উদ্বেগ,আত্মবিশ্বাসের অভাব ইত্যাদি উপসর্গ পিতামাতার চোখে খুব সহজেই ধরা পরে।বেশিরভাগ পিতামাতা তার সন্তানের এসকল বিষয় নিয়ে ...
Comments
Post a Comment