বিষণ্ণতা

বাসায় অথিতির আগমন। কিন্তু ছোট্ট সেই শিশুটির মন ভাল নেই। কারন কালকের হোমওয়ার্ক শেষ করতে হবে।তাই বিষণ্ণ মনে সে তার ভাল না লাগা কাজটি করে যায়। সেই থেকে শুরু। তারপর থেকে জীবনের প্রত্তেকটা পদে তাকে বিষণ্ণতা নামক রোগটির সাথে লড়াই করে যেতে হয়। প্রত্যেকটা রোগের চিকিৎসা আছে,কিন্তু  বিষণ্ণতা নামক ব্যধির কোন চিকিৎসা নেই । কারন আমরা বুঝতে ই পারি না আমাদের মনে এত বড় একটা রোগ কখন বাসা বেধেছে। রোগ হয়েছে তাই যদি বুঝতে না পারি তো ওষুধ খাব কি!

যদিও বা কেউ বুঝতে পারে সেটাকে মনের দুর্বলতা বলে ভেবে নেয়। এ এমন এক দুর্বলতা যাকে প্রশ্রয় দেয়া যায় না,তাহলে সর্বনাশ! বাস্তব জীবনে এসকল দুর্বলতাকে প্রশ্রয় দিতে নেই

বিরক্তিতে, রাগে,ক্ষোভে,দুঃখে, অমনোযোগিতায়  প্রতিটা আচরণে সে কিন্তু তার উপস্থিতি জানান দিয়ে যায়। শরীর সুস্থ রাখতে আমরা কত কিছুই না করি,কিন্তু যে ঘাতক ব্যধি আমাদের ধীরে ধীরে দুর্বল থেকে দুর্বলতর করে ফেলছে তার খোঁজ রাখার সময় কোথায়। যান্ত্রিক এ যুগে সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে এসব ছোটোখাটো বিষয় নিয়ে না ভাবাই উত্তম। কিন্তু সময়ে-অসময়ে “ভাল্লাগে না” নামক জিনিসটা যখন কর্মস্পৃহা থামিয়ে দেয়,তখন বলি ঘটনাটা কি?

Comments

Popular posts from this blog

কাতার বিশ্বকাপ ২০২২, সমকামিতা এবং আমার মৃত ভাই

বুক রিভিউ- ১ : তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রনে - হুমায়ূন আহমেদ