অতিরিক্ত
উত্তেজনা, বিভ্রান্তি অথবা অপ্রতিরোধ্য কর্ম আমাদের দেহে শারীরিক, রাসায়নিক ও মানসিক প্রতিক্রিয়ার
সৃষ্টি করে যা আমাদের অবচেতন মনে হতাশার জন্ম দেয় ।এমনকি যেসকল শিশুরা সাধারন জীবন-যাপন করে তারাও কখন কখনও
হতাশায় ভোগে। কিন্তু সর্বোপরি শিশুকালের সকল হতাশা ক্ষতিকর নয়।স্বাভাবিক
হতাশা,একটি শিশু বিকাশের সময় যার মুখোমুখি হয় যেমন হাঁটতে শেখা, কথা বলা,কবিতা
আবৃত্তি শেখা,স্কুলে যাওয়া, নতুন বন্ধু তৈরি সত্যিকার অর্থে একটি শিশুর জন্য নতুন
অভিজ্ঞতা যা তাকে বেড়ে উঠতে ও আত্মনির্ভরশীল হতে সাহায্য করে। অপরদিকে কিছু মানসিক চাপ আছে যা একটি শিশুর
বিকাশকে বাঁধাগ্রস্ত করে। যেসকল বিষয় একটি শিশুর জীবনকে সম্পূর্ণরূপে পালটে দিতে
পারে তা হলঃ
-ডিভোর্সঃ
পিতা-মাতা সবসময় ঝগড়া করলে বা আলাদা বসবাস করলে সন্তানের মানসিক দক্ষতা হুমকির
মুখে পরে।সে নিজেকে সবসময় একাকী ও নিঃসঙ্গ মনে করে।-জায়গা পরিবর্তনঃ নতুন
বাসা,সমাজ,বিদ্যালয় অথবা নতুন বন্ধুমহল একটি শিশুকে অসহায় ও নিঃসজ্ঞ করে ফেলে। যা
তার মানসিক বিকাশকে বাঁধাগ্রস্ত করে ।-মৃত্যুঃ ঘনিষ্ঠ কোন আত্মিয়,বন্ধু বা কোন পোষা প্রাণীর
মৃত্যু শিশু মনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে এবং শিশুর মনকে ভেঙ্গে দিতে পারে।আকস্মিক
কোন দুর্ঘটনার ( রোড অ্যাকসিডেন্ট) ফলে শিশুর মনে তীব্র ও ভয়ংকর বিষয়গুলি সহ্য
করার ক্ষমতা তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত নিয়মানুবর্তিতাঃ কোন বিশ্রাম না নিয়ে স্কুল থেকে কোচিং থেকে স্যারের বাসা করলে শিশুর
উপর তীব্র চাপের সৃষ্টি হয়।যা তার মধ্যে হতাশার জন্ম দেয়।
Comments
Post a Comment